শতেক শতাব্দীর অসম্মানভার

লেখাটি লিখেছেন জয়দীপ ঘোষ

“কলিকাতার বাহিরে বাকি যে পৃথিবীটা আছে সমস্তটা কেই মামা আন্ডামান দ্বীপের অন্তর্গত বলিয়া জানেন।…মামা যদি মনু হইতেন তবে তিনি হাবড়ার পুল পার হওয়াটাকে তাঁহার সংহিতায় একেবারে নিষেধ করিয়া দিতেন।”

(‘অপরিচিতা’ গল্পের অংশ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

এক

ধর্মের কাজ পরমতার সন্ধান। কোনো চৈতন্যময় সত্তা এই বিশ্বজগতের নিয়ন্ত্রা কিনা, তাঁর স্বরূপ কী, তাঁর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী : এসব বুঝে দেখা খুঁজে দেখা ধর্মের চৌহদ্দির অন্তর্গত। কিন্তু বিশ্বের কোন (প্রাতিষ্ঠানিক) ধর্ম আছে যে ‘এইটুকু’তে সন্তুষ্ট থাকতে পেরেছে ? একদিকে সমাজ, জীবন, রান্নাঘর, বেডরুমের উপর তার অনন্ত খবরদারির নেশা। অন্যদিকে, প্রতিটি ধর্মের ভিতরে আছে ঘৃণা ছড়াবার, মানুষকে মানুষের থেকে বিভাজিত করে তোলবার বিষাক্ত সব চিহ্ন, নির্দেশ, ফতোয়া। ধর্মের ‘নামে’ খারাপ কাজ করে কিছু উপেক্ষাযোগ্য বিচ্ছিন্ন মানুষ, একথা তাই সত্য নয়, ধর্ম নিজেই কোনোমতে সেইসব ‘কাজে’র দায় এড়াতে পারে না।

দুই

মামা যদি মনু হইতেন তবে কী হত, তা জানেন রবীন্দ্রনাথ, কিন্তু মনুমহারাজ ওইরকম একজন মামাই বটে। প্রতিটি ধর্মেই এই মামা(দের) প্রতাপটা অন্য সবকিছুর উপর জেগে থাকে, মনু তাঁদের সকলের মধ্যে সর্বাগ্রগণ্য। নিজের ধর্ম, শ্রেণী, বর্ণ ও লিঙ্গের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে-কোনো ধরণের নির্লজ্জ স্বেচ্ছাচারকে তাঁরা ‘ঈশ্বর’-এর প্রত্যাদেশ বলে চালাতে থাকেন।

‘মনুসংহিতা’ যারা পড়েছেন তাঁরা জানেন, দুটো ধাপে ব্যাপারটাকে সাজিয়ে তোলা হয়। প্রথমে ‘অপর’এর অবস্থানটাকে পাকাপোক্তভাবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া। যেমন, মনুমহারাজের এইসমস্ত নির্দেশ :

১। ‘প্রভু শূদ্রের কিন্তু একটিমাত্র কর্ম নির্দেশ করলেন। তা হল এই সকল বর্ণের [=উচ্চবর্ণের] অসূয়াহীন সেবা।’ (১/৯১)

২। ‘শূদ্র সক্ষম হলেও ধনসঞ্চয় করবে না। কারণ, শূদ্র ধন লাভ করে ব্রাহ্মণদেরই পীড়া দেয়।’ (১০/১২৯)

(এই বিধানটি ভারি চমৎকার, তাই না ? ক্ষমতা লাভ করা শুধু না, যুগ যুগ ধরে তা নিশ্চিত করে রাখার কী চমৎকার বন্দোবস্ত !)

৩। ‘যে রাজ্য শূদ্রবহুল, নাস্তিকাকীর্ণ ও দ্বিজহীন, সেই সমগ্র রাজ্য দুর্ভিক্ষ ও রোগাক্লিষ্ট হয়ে শীঘ্র বিনষ্ট হয়।’ (৮/২২)

(শূদ্র যেন কোনোভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ হতে না পারে এই হল তার চেষ্টা। সকলেই খেয়াল করবেন, শূদ্রের সঙ্গে এখানে নাস্তিকও যুক্ত হয়ে আছেন। নাস্তিককে সবারই বড্ড ভয়, কেননা নাস্তিক বড়ো তর্ক করে। ‘মনুসংহিতা’য় তাই কঠোর বিধান আছে, হৈতুক[=নাস্তিক]দের সঙ্গে ভালোভাবে কথাবার্তাও কইবে না  (৪/৩০)। )

এবং, শুধু জীবিত অবস্থায় না, মৃত্যুর পরেও প্রাপ্য শুধু অমর্যাদাই :

৪। ‘শূদ্রের মৃতদেহ দক্ষিণ পুরদ্বার দিয়ে এবং দ্বিজগণের মৃতদেহ যথাক্রমে পশ্চিম উত্তর ও পূর্ব দ্বার দিয়ে বহন করবে।’ (৫/৯২)

‘অবস্থান’ এভাবে নির্দিষ্ট করে দেবার পর দ্বিতীয় ধাপ হল এইসব বিধান লঙ্ঘনে কঠোরতম শাস্তির ফতোয়া। তারও কিছু চমকপ্রদ নমুনা দেওয়া যাক। শূদ্র ব্রাহ্মণদের কর্কশবাক্যদ্বারা গালি দিলে ‘তার জিহ্বাচ্ছেদন’ (৮/২৭০), ধর্মোপদেশ দেবার চেষ্টা করলে ‘মুখে ও কানে উত্তপ্ত তৈল সিঞ্চন’ (৮/২৭২) এবং ব্রাহ্মণের সঙ্গে একাসনে বসতে চাইলে এমনভাবে তার পশ্চাদ্দেশ কেটে দিতে হবে যাতে তার মৃত্যু না হয় (৮/২৮১)! আর উল্টোদিকে, ব্রাহ্মণ শূদ্রকে হত্যা করলেও সেটা উপপাতক মাত্র, অর্থাৎ কিনা অল্পই পাপ, সেই পাপের প্রায়শ্চিত্তও ঠিক এইরকম, “বিড়াল, নেউল, চাষপাখি, ব্যাঙ, কুকুর, গোসাপ, প্যাঁচা বা কাক মেরে শূদ্রহত্যার প্রায়শ্চিত্ত করবে”, (১১/১৩১) !! এই শেষ বিধানটি বারবার স্বচক্ষে দেখার পরও আমার বিশ্বাস হতে চায় না যে কীভাবে কেউ একজন মানুষের হত্যার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করার জন্যে আরও কিছু নিরীহ প্রাণীকে মারার কথা বলতে পারে ! সত্যযুগে বোধকরি সবই সম্ভব ছিল !

আর সবচেয়ে অন্যায়ের কথাটা হল এই যে, এইসব অশালীন কুৎসিত অমানবিক বিধান সমাজের বুকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে খোদ ঈশ্বরের বাণী বলে, ১/৫৮-তে মনু জানালেন “এই শাস্ত্র রচনা করে তিনি [=স্বয়ং ব্রহ্মা] প্রথমে আমাকেই যথাবিধি শিখিয়েছিলেন। আমি আবার মরীচি প্রভৃতি মুণিগণকে শিখিয়েছিলাম।” মানুষ বড়ো ধর্মভিরু, তার উপর প্রভুত্ব করা তাই কতই সহজ !

তিন

‘মনুসংহিতা’র কথা আলাদা করে বলতে হয় এই কারণে যে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মনুর বিধানই ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী, অনেক পরবর্তী রঘুনন্দনও তাঁর স্মৃতিশাস্ত্র রচনা করতে গিয়ে মনুকেই স্মরণ করেছেন বারবার। কালিদাসের ‘রঘুবংশ’-এ আছে বাধ্য-প্রজার এই সংজ্ঞা, যে-নাকি মনুর খুঁড়ে দেওয়া পথটি থেকে একচুলও এদিক ওদিক যায় না! (রঘুবংশ, ১৪/৬৭) এমনকী, জানেন সকলেই, রামমোহন রায় এই উনিশ শতকেও, সাক্ষ্য মেনেছিলেন মনুকেই। মনুর সাক্ষ্যে যে কাজ হাসিল হয় সবচেয়ে অনায়াসে, সে তাঁর বিলক্ষণ জানা ছিল।

কিন্তু একথা মনে করার কোনো কারণ নেই যে ‘মনুসংহিতা’ই একমাত্র ‘টেক্সট’ যা হিন্দুসমাজের বর্ণবিভাজনের জন্যে দায়ি। মনে আছে আপনাদের, ‘বজরংগী ভাইজান’ (২০১৫) ছবিটিতে পবন চতুর্বেদী (সলমন খান) হারিয়ে যাওয়া বালিকাটিকে ভেবে নিয়েছিল ব্রাহ্মণ-কন্যা? কী ছিল তার যুক্তি? না, বালিকাটি খুবই ফর্সা ! এই আশ্চর্য যুক্তি কোন গোমুখ থেকে উৎসারিত ? মিলিয়ে নিন ‘মহাভারত’এর শান্তিপর্বের এই ভৃগুবাচন, “ব্রাহ্মণগণের বর্ণ শুভ্র, ক্ষত্রিয়ের লোহিত, বৈশ্যগণের বর্ণ পীত, শূদ্রগণের বর্ণ কৃষ্ণবর্ণ হইয়া থাকে”। পবন চতুর্বেদী কি মহাভারত পড়েছেন? না-ও পড়ে থাকতে পারেন, কিন্তু সমাজের বুকে চুঁইয়ে চুঁইয়ে থেকে যায় এইসব ধারণা, তার প্রভাব নির্মূল করা খুবই কঠিন। আপনাদের আরও মনে করে দেখতে বলব, ধরা যাক, ‘চাচি ৪২০’ ছবিটিকে (১৯৯৭)। দুর্গাপ্রসাদ ভরদ্বাজ (অমরিশ পুরী)-এর কন্যা জানকী বিয়ে করেছেন এক পাসোয়ানের ছেলেকে, দুর্গাপ্রসাদ তাই ক্ষুব্ধ। বিশ্বাস করুন, তাঁর ক্ষোভের শাস্ত্রসম্মত কারণ আছে। এই বিয়েকে বলা হয় ‘প্রতিলোম বিবাহ’, নিম্নবর্ণের পাত্রের সঙ্গে উচ্চবর্ণের কন্যার বিবাহ। এর উল্টোটা তবু সহ্য করে নেওয়া যায়, কিন্তু এটা ঘোর পাপ, হেন ‘শাস্ত্রগ্রন্থ’ খুঁজে পাওয়াই ভার যাতে এটার তীব্র নিন্দা করা নেই ! দুর্গাপ্রসাদ শাস্ত্র পড়েছিলেন কিনা সে প্রশ্ন অবান্তর, সমাজমনই শাস্ত্রকে ধারণ করে রাখে যুগ যুগ ধরে।

আমরা বলি ‘ছোটলোক’, গালি দেই ‘চাঁড়াল’ বলে, ‘চামার’ বলে। আমাদের বর্ণবিভাজিত সমাজের অবচেতন থেকে জন্ম নেওয়া এই সব শব্দ কেমন দিব্যি আজও চলে, তাই না ? খোদ ‘ছান্দোগ্য উপনিষদ’-এ আছে, এ জন্মের খারাপ কাজের পরিণামে পরের জন্মে মানুষ হবে কুকুর, শুয়োর এবং চণ্ডাল  (ছান্দোগ্য, ৫/১০/৭) । বিবেকানন্দ ব্রাহ্মণ আর চণ্ডাল উভয়কে একই বাক্যে ‘ভাই’ বলে ডাক দিয়েছিলেন, সেকথা নিশ্চয়ই শ্রদ্ধার সঙ্গে মনে রাখতে হয়, কিন্তু পাশাপাশি যখন দেখি ‘কথামৃতে’ রামকৃষ্ণ হাস্যচ্ছলে বলে ওঠেন, “ঠোঁট ডোমের মত হলে নীচবুদ্ধি হয়” (কথামৃত, ৪/১২/৪), তখন বুঝতে পারি সংস্কারের প্রতাপ কত ভয়াবহ গভীর।

চার

গান্ধীজি অস্পৃশ্যতা বিরোধী আন্দোলন করেছেন, অস্পৃশ্যতার বিরুদ্ধে তাঁর নানান লেখা ও বক্তৃতার কথা সকলেরই জানা। কিন্তু একথাও হয়তো অনেকে জানেন যে, সমাজ থেকে বর্ণবিভাজনকে একেবারে উঠিয়ে দেবার পক্ষে ছিলেন না তিনি। ১৯২৭-এর ২৪ নভেম্বর ‘ইয়ং ইণ্ডিয়া’ পত্রিকায় তিনি লিখলেন “The Rishis after incessant experiment and research arrived at this fourfold division, that of teaching, of defending, of wealth-producing, and of manual service.”, কিন্তু আমরাই নাকি এ হেন আধুনিক-ব্যবস্থাটাকে কদর্য জাতিভেদপ্রথায় বদলে নিয়েছি, “Our failure to follow the law of varna is largely responsible both for our economic and spiritual ruin.”।

গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেও তাঁর এই মত মেনে নেওয়া খুবই শক্ত আমাদের পক্ষে। গান্ধীজির এই ‘আমরা’ কারা, যারা নাকি বদলে নিলাম ‘বৈজ্ঞানিক’ বর্ণাশ্রম প্রথাকে বিভাজনমূলক জাতিপ্রথায়? গান্ধীজি কি খেয়াল করেন না যে উঁচু-নীচুর বৈষম্যটা রয়ে গেছে একেবারে বৈদিক কাল থেকেই ? ঋকবেদের দশম মণ্ডলের এই শ্লোক কি গান্ধীজির চোখে পড়ে না, “ব্রাহ্মণোহস্য মুখমাসীদ্‌ বাহু রাজন্যঃ কৃতঃ।/ উরূ তদস্য যদ্বৈশ্যঃ পদ্ভ্যাং শূদ্রো অজায়ত।।” (ঋক, ১০/৯০/১২), ব্রাহ্মণ জন্মাল ব্রহ্মার মুখ থেকে, বাহু থেকে ক্ষত্রিয়, উরু থেকে বৈশ্য আর পা থেকে জন্ম হল শূদ্রের! এই কি বর্ণাশ্রমের সমানাধিকারের নমুনা ?

অবশ্য কেউ কেউ বলতে পারেন, ঋকবেদের দশম মণ্ডল অনেক পরেকার লেখা। পরে বটে, কিন্তু বৈদিক যুগেই তো, একেবারে উনিশ শতকে তো নয় ! ‘আমাদের’ ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে যে ‘ঋষি’দের একেবারে ছাড় দিয়ে দেওয়াটা এমনকী গান্ধীজির পক্ষেও বেশ মুশকিলই, তাই না ? তাছাড়া, গান্ধীজি নিশ্চয়ই ভুলে যেতে পারেন না তাঁর প্রিয় বই ‘গীতা’র এই ঘোষণা যে, “পাপযোনি-জাত জীবগণ– বৈশ্য, শূদ্র, নারী – ইহারাও যদি আমার সেবা করে, তবে নিশ্চয়ই পরমাগতি প্রাপ্ত হয়” ! (গীতা, ৯/৩২) এখন, কৃষ্ণভজনা করে বৈশ্য-শূদ্র-নারীর মতো পাপীরা পরলোকে না হয় মুক্তি পেল, ইহলোকে কী হবে ? পাপযোনির ‘ট্যাগ’টাতো রয়েই গেল, না ?

দুর্ভাগ্য গান্ধীজির, আর আমাদেরও যে, কোনো শাকেই আসলে এ-মাছ ঢাকা যায় না। কোথায় লুকোবে, ধু ধু করে মরুভূমি, ক্ষয়ে ক্ষয়ে ছায়া মরে গেছে পদতলে !

পাঁচ

এবার সংরক্ষণ নিয়ে দুটো-একটা কথা। দুটো-একটাই, কেননা এ নিয়ে আছে অনেক তর্ক, অনেক বিবেচনা, অনেক প্রশ্ন। তার সবটা নিয়ে আলোচনার যোগ্যতাও আমার নেই, সে পরিসরও নেই এখানে।

রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, “শতেক শতাব্দী ধরে নামে শিরে অসম্মানভার”, আক্ষরিক-অর্থেই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে একদল মানুষকে, তাঁরাই চিরকাল সংখ্যাগরিষ্ঠ, মানবেতর তকমা দিয়ে পায়ের তলায় রেখে দিয়েছে আমাদের সমাজ। পাপ-পুণ্যের প্রথাগত ধারণায় আমার বিশ্বাস নেই, তবু মনে হয় এ যেন পাপই, এর থেকে বড়ো পাপ আর কিছুতে হতে পারে না। কিন্তু শতেক-শতাব্দী-ব্যাপী এই পাপের মোচন হবে কীকরে ? শুধু মানুষের সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে ? তাই কি হয় ? আরও কত অনন্ত সময় অপেক্ষা করে থাকতে হবে তাহলে !

ভাবা হয়েছিল তাই, দ্রুত কোনো অর্থনৈতিক স্বাবলম্বনের কথা, দ্রুত শিক্ষার প্রসার ঘটানোর কথা। ঠিকই ভাবা হয়েছিল। একটা বড়ো সময়ের প্রেক্ষিতে বিচার করে দেখুন, যেটুকু ‘সুবিধা’ দেওয়া হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, তাকে আর তত অযৌক্তিক বলে মনে হবে না।

অবশ্য, একথা বলার পরও আর-একটু কথা থেকে যায়। সে হল, এই সবকিছুর লক্ষ্য ঠিক কী ? সেটা কি আসলে শেষপর্যন্ত এই বর্ণবিভাজিত সমাজটা থেকে বেরিয়ে যাওয়া নয়? বর্ণব্যবস্থাটাকেই মুছে দেওয়া নয় ? এই লক্ষ্যটা যেন আমরা না ভুলি। যখন দেখি বিভিন্ন ‘উঁচু’ জাতের মানুষও আজ নিজেদের ‘নীচু’ জাত বলে দাবি জানাতে ব্যস্ত, তখন একটু গুলিয়ে যায় ব্যাপারটা। মনে হয় উপায়টাকেই আমরা লক্ষ্য বানিয়ে নিয়েছি, সংরক্ষণ আমাদের লক্ষ্য হয়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। এটাকে খানিক বিপজ্জনক বলেই মনে হয়। আমাদের আসল লক্ষ্যের দিকে কতটুকু এগোতে পারা যাচ্ছে, তাই নিয়ে নিরন্তর সামাজিক প্রশ্ন ও পর্যালোচনা যদি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তা হবে সত্যিকারের দুর্ভাগ্যের কথা।

 

Advertisements
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

2 Responses to শতেক শতাব্দীর অসম্মানভার

  1. পিংব্যাকঃ জুলাই-অগাস্ট ‘১৬ |

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s