ইতিহাসের শুরু ও শেষ!

১৮৭৪ সালে বাবু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বঙ্গদর্শন’-এর প্রবন্ধে জানালেন যে আমাদের ইতিহাস নাই। অতঃপর আমাদের ইতিহাস লেখা শুরু হলো। ছোটোবেলায় মা বলতো, যার শুরু আছে তার শেষও আছে। যার জন্ম হয়েছে, তার মৃত্যুও অনিবার্য। কয়েক বছর আগেই মা ছোটবেলার সেই কথা প্রমাণ করে চলে গেছে। সে যাই  হোক, আমরা বলছি ‘ইতিহাস’-এর কথা। আমাদের ইতিহাসের শুরু উনিশ শতকের সাতের দশকে হলে, শেষটা কোথায়? ‘ইতিহাসের শেষ’… এটুকু শুনেই বন্ধুরা উত্তরটা বলে দিতে পারবে। ১৮৭৪-এ শুরু হওয়া আমাদের ইতিহাস মুড়িয়ে গেছে ১৯৯২-এ পা দেওয়ার কয়েকটা দিন আগেই। পর্দা পড়ার আগে সাধারণত একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় সমাপ্তির। ১৯৮৯ সালের গ্রীষ্মেই মাননীয় ফ্রান্সিস ফুকোয়ামা সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিশ্ববাসীকে। ‘The Nations’ জার্নালে প্রকাশিত তাঁর প্রবন্ধের নাম ছিলো ‘End of History?’। দু’বছর পরে (‘৯২তে) তিনি প্রকাশ করলেন আস্ত একটি বই। End of History and The Last Man নামের প্রায় ৩০ ফর্মার বইটির দমকায় উদ্বেলিত হয়ে গেলো বিশ্বচরাচর। সেসব গল্পে পরে আসা যাবে। তার আগে ছোট্ট একটা প্রশ্নের মীমাংসা করে নেওয়া দরকার। ১৯৮৯-’৯২–এই দু’বছরে এমন কী হলো যার জন্য ফুকোয়ামা তুলে দিলেন জিজ্ঞাসাচিহ্নটি? এই দু’বছরের মধ্যে কী এমন হলো যাতে এমন নিঃসন্দেহ হওয়া গেলো ইতিহাসের অবসান সম্পর্কে? আসলে এরই মধ্যে ঘটে গেছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড়ো পরাজয়। বিনা রক্তপাতে, বিনা বলপ্রয়োগে, কোনও আয়েস ছাড়াই ভেঙে পড়েছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুনিয়ার প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ১৯৯১ এর ২৬শে ডিসেম্বর। অতএব শেষ হলো ইতিহাস। বার্লিনের ভাঙা পাঁচিলে উঠে তর্জনী নেড়ে ফুকোয়ামা জানিয়ে দিলেন ‘ইতিহাসের অবসান’। আর কোনও প্রশ্নচিহ্ন রইলো না কোথাও। আর কোনও ‘ইতিহাস’ রইলো না আমাদের…

এভাবেই লিখে ফেলা যায় ‘আমাদের ইতিহাস’-এর জীবনী; যা মাত্র ১১৭ বছরের। হ্যাঁ, ‘আমাদের ইতিহাস’ কথাটা সচেতনভাবেই লিখলাম। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় থেকে ফ্রান্সিস ফুকোয়ামা কিংবা ম্যাক্সমুলার সাহেব থেকে সুভ্রমণ্যম স্বামী যে যেভাবেই ইতিহাসের ব্যাখ্যা করুন না কেন, আমরা জেনে গেছি, ইতিহাসেরও আমরা-ওরা হয়। আরও একটু স্পষ্টবাদী হলে বলবো, আমরা-ওরা ছাড়া কোনও ইতিহাসই হয় না আদতে। আর.এস.এস-এর দাবিমতো ব্যাসদেবের বয়ানের ‘মহাভারত’ ইতিহাস হলে, মনে রাখতে হবে, জৈমিনির মহাকাব্য কিন্তু দুর্যোধনের দিক থেকে কথিত। তাহলে সেটিও ইতিহাস। কৌরবদের ইতিহাস। ভারতের দক্ষিণদিকে ‘রামায়ন’-এর প্রচলিত কিছু পাঠে যেমন রাবণই আরাধ্য। শিবের উপাসক, রাক্ষসকূলোনিধি রাবণের উপাসকদের মুখে সেটাই ‘আর্যেতর’ ইতিহাস। বাঙালির ইতিহাস নাই, ভারতের ইতিহাস নাই… এ হাহুতাশে বঙ্কিমচন্দ্র একভাবে ইতিহাস লিখতে শুরু করেন উনিশ শতকে। উপন্যাসের মোড়কে। ১৯৮২তে বেরোয় ‘আনন্দমঠ’; ছিয়াত্তরের মন্বন্তরে শ্মশানবাংলায় জেগে ওঠা সন্ন্যাসী(-ফকির?) বিদ্রোহের ইতিহাস আশ্রিত নভেল। বঙ্কিমের পাঠকমাত্রেই জানেন, উপন্যাসের বিদ্রোহ ছিলো মুসলমান নবাবের বিরুদ্ধে মরণাপন্ন হিন্দু প্রজাদের অভ্যুত্থান। মুসলমান নবাবের সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে বাংলার হিন্দু প্রজারা অকাতরে মরছে, তাই, মুসলমান শাসকের বিরুদ্ধে হিন্দু ‘সন্তানদল’-এর সশস্ত্র বিদ্রোহ… ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দের বাংলার ইতিহাসকে বঙ্কিম এভাবে পড়তেই পারেন। বঙ্কিমচন্দ্রের কব্জির জোরালো মোচড়ে অভিভূত পাঠক অনায়াসে বুঁদ হতে পারেন ‘আনন্দমঠ’-এ। কিন্তু ছিয়াত্তরে মন্বন্তরে অসংখ্য হিন্দুর সাথে অগণিত মুসলমানও যে তছনছ হয়ে গেছে –একথা অস্বীকার করে যেতে পারবেন না কেউ। নবাবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে হিন্দু সন্ন্যাসীদের কাঁধে কাঁধ দিয়ে লড়াই করা মুসলমান ফকিরদের কথা উড়িয়ে দিতে পারবেন না। স্বভাবতই ‘আনন্দমঠ’-এর বয়ানকে ১৮৭০ খীষ্টাব্দের বাংলার একমাত্র ইতিহাস কথন বলে দেওয়া যাবে না কখনওই। অপর ইতিহাসের অস্তিত্বও রয়েছে; যে ভাষ্যে বিদ্রোহের দুই প্রান্তে থাকা শাসক-শাসিত/নবাব-প্রজার ধর্মীয় পরিচয় নয়, শ্রেণি পরিচয়ই গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই ‘আমাদের ইতিহাস’ আছে। যেমন রয়েছে ‘ওদের ইতিহাস’। অর্থাৎ ‘আমরা-ওরা’ আছে ‘ইতিহাসে’র। স্পষ্টবাদী হলে আমরা সিদ্ধান্তে আসতে পারি… ‘ইতিহাস’ নেই তখনই, যখন ‘আমরা-ওরা’ নেই।

যে মুহূর্তে আপনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন, তৎক্ষণাৎ নাকচ করতে উদ্যত হবেন ফুকোয়ামা নির্দেশিত ‘ইতিহাসের অবসান’-এর তত্ত্ব। ২৭ বছর আগেই ইতিহাস ফুরিয়ে গেছে, এমন দাবি করেছেন উনি ও ওনার অনুগামীরা। অথচ আজ সকালেও আপনি নিজের ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে ফেরার পথে চায়ের দোকানে দেখেছেন, আপনার দিকে চায়ের গ্লাস বাড়িয়ে দিচ্ছে আপনার ছেলেরই বয়সী একজন। আজ দুপুরেও আপনি দেখেছেন, অটো থেকে নেমে অটোওয়ালাকে পয়সা ছুড়ে দিচ্ছে জওয়ান সওয়ারি। বিকেলবেলা শুনেছেন, উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা চার্চ পুড়িয়ে দিয়েছে ধর্মের ধ্বজা উড়িয়ে। সন্ধেবেলা খবর পেয়েছেন ভোটে জয়ী দলটি পরাজিত দলের গর্ভবতী মহিলা সমর্থকের পেটে লাথি মেরে পালন করেছে ‘সাংস্কৃতিক বিজয়োৎসব’। রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে আপনি পাশের বাড়ির জানালা দিয়ে ভেসে আসা আর্তনাদ শুনেছেন পাশের বাড়ির বউদির, শুনেছেন মদ্যপ ভদ্রলোকটির বউ-পেটানো গর্জন। এভাবেই সকাল থেকে রাত অব্দি আপনি হাজার রকমের ‘আমরা-ওরা’র অভিজ্ঞতা নিতে নিতে বেঁচে থাকেন। আমিও থাকি। ‘ইতিহাসের অবসান’-এর প্রাক্‌শর্ত ‘আমরা-ওরা’র অবলুপ্তি। তা যখন হয়নি, ‘ইতিহাসের অবসান’ প্রকল্পটি মেনে নেওয়া বড়োই কঠিন কল্পনা।

বঙ্কিম কিংবা ফুকোয়ামা দু’জনেই আমাদের ইতিহাসবোধ নিয়ন্ত্রণে অপরিসীম ভূমিকা নিয়েছেন একশো বছর আগে-পরে। একজন ইতিহাসের শুরুর কথা বলেছেন, একজন শেষের। দুজনকার কথাই অপরিসীম প্রভাব ফেলেছে আমাদের জীবনে। বঙ্কিমের প্রভাবে ইতিহাস লেখার হিড়িক পড়েছে বাংলার বুদ্ধিজীবি মহলে। ফুকোয়ামার প্রভাবে সামগ্রিকতা, ধারাবাহিকতা, ইতিহাসকে ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে বাংলার নাগরিক সমাজে। রাজনীতিতে। সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মী বঙ্কিমচন্দ্র, ফ্রান্সিস সুকোয়ামার ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষিতে বলা দু’টো কথায় আরও কিছু সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। ‘ইতিহাস’ বলতে প্রথমজন যা বোঝাতে চেয়েছেন, দ্বিতীয়জন তা নাই বোঝাতে পারেন। আর আমরা যখন এতদিন পরে দুজনকার বক্তব্যকে পাশাপাশি রেখে পড়তে চাই, তখন ‘ইতিহাস’ বলতে তৃতীয় রকমের কোনও অর্থও প্রতিভাত হতে পারে আমাদের কাছে। উনিশ শতকে বঙ্কিমচন্দ্র যখন আমাদের ইতিহাস লিখতে বলছেন, তখন তিনি স্পষ্টতই একধরনের আধুনিকতার ভিত্তি স্থাপন করছেন। ১৮৭৪-এর আগে যে ভারতীয়দের বা বাঙালিদের (বঙ্কিম তাঁর প্রবন্ধে ‘ভারতীয়’ ও ‘বাঙালি’ পরিচয় দুটিকে আলাদা করেননি) কোনও ইতিহাস ছিলো না, তা নয়। হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের ইতিহাসের ধারণা এবং ধরণ কাহিনিনির্ভর। সংস্কৃত শব্দের ব্যাখ্যায় ‘ইতি-হ-হাস্‌’ মানে ‘যেরকম বলা হয়েছে’! মুখে মুখে ফেরা মানুষের গানেই সে ইতিহাস বিবৃত হতো, ছড়িয়ে পড়তো, বেঁচে রইতো। কখনো শ্রীরামকথায়, কখনো মহাভারতে, কখনো গীতিকায়, ময়নামতীর গানে, কায়লা-মজনুর আখ্যানে, কখনো মনসাভাসানের পালায়। বঙ্কিম বলছেন, “সাহেবরা পাখী মারিতে গেলেও তাহা লিখিয়া রাখেন”! এক্কেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খ, নির্ভুল, অবজেক্টিভ, তথ্য লিপিবদ্ধ করে রাখা –সাহেবরা যাকে ‘History’ বলেন। ‘বঙ্গদর্শন’-এর পাতা থেকে যে ‘ইতিহাস’ রচনার ডাক দেওয়া হলো তা নিসন্দেহে ইউরোপীয় মডেলের ‘History’ লেখার আয়োজন। ঔপনিবেশিক শাসনকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করানোর জন্যই ইউরোপ থেকে আধুনিকতার এই মডেল এদেশে তুলে আনা জরুরি ছিলো সেইদিন। মেকলে সাহেব সেই মডেলেই ভারতের জন্য শিক্ষানীতি বানালেন, ঘোষিতভাবেই যার উদ্দেশ্য ছিলো “বাদামী চামড়ার সাহেব” নির্মাণ। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধটিকে এই প্রকল্পের অংশ হিসেবেই পড়া যায় মাত্র। সেদিক থেকে দেখলে আমরা নিজেদের শুধরে বলতে পারি, আমাদের আধুনিকতার (‘ইতিহাস’-এর নয়) শুরু উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বঙ্কিমদের হাতেই।

ফুকোয়ামার নিদানের সাথে সাথেই মার্গারেট থ্যাচার জানালেন, “(পুঁজিবাদের) কোনও বিকল্প নেই”। সাত দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বপুঁজিবাদের সাথে একা লড়ে যাওয়া সোভিয়েত রাশিয়া তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লো একদিন সকালবেলা। শেষ হলো ছেচল্লিশ বছরের ঠান্ডা লড়াই। পুঁজিবাদের সাথে লড়াই করার জন্য অবশিষ্ট নেই আর কোনও শক্তি। এমনকি যে চুনোপুটি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো এতদিন সোভিয়েতের অস্তিত্বের সুযোগ নিয়ে বিশ্বপুঁজিবাদের সাথে দরকষাকষির আস্পর্ধা দেখাচ্ছিলো, অবধারিতভাবেই, তারাও এবার নতজানু হতে বাধ্য। অপ্রতিরোধ্য ধনতন্ত্রের অনুকূলে একমেরু পৃথিবী, চ্যাপ্টা পৃথিবী, ‘ওয়াশিংটন সহমত’-এর পৃথিবীর শুরু এখান থেকেই। স্বভাবতই শেষ ইতিহাসের। নির্দিষ্ট করে বললে, ইতিহাসের সামগ্রিকতার ধারনার অবসান এইখানেই। কারণ, ইতিহাসের সামগ্রিকতার, ধারাবাহিকতার ধারণা বেঁচে থাকলেই বেঁচে থাকবে মার্কসবাদ। মানেই আবার ধনতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করার শক্তি নিয়ে মিছিল, মিটিং, ট্র্যফিক জ্যাম, ধর্মঘট, পথ অবরোধ, শ্রমিক সংগঠন, মতাদর্শের লড়াই, লেনিন লেনিন, লালঝাণ্ডা, লালফৌজ, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিজয়, ভিয়েতনাম… দুঃস্বপ্ন পুঁজির মালিকের। অতএব নস্যাৎ করো ইতিহাসের সামগ্রিকতা, ধারাবাহিকতার দাবি। সবকিছু টুকরো! তাৎক্ষনিক! বিচ্ছিন্ন! ইন্ডিপেন্ডেন্ট! ১৯৯২-এর বইটি ইতিহাসের নয়, মৃত্যুঘন্টা বাজিয়েছে কার্যত ‘আধুনিকতা’র। সেই সমাধির বুকে দানা বেধেছে উত্তরয়াধুনিকতার টুকরো টুকরো ধারনাগুলি। এবারও নিজেদের শুধরে বলতে পারি, আমাদের আধুনিকতা (‘ইতিহাস’ নয়) ফুরিয়ে গিয়েছে বছর পঁচিশ আগে।

বঙ্কিমচন্দ্রদের হাত ধরে ‘আধুনিকতা’র জন্ম কিংবা ফুকোয়ামাদের হাতের ইশারায় ‘আধুনিকতা’ ভ্যানিশ! দুইয়ের মোক্ষম সাদৃশ্যটি খুঁজে পাওয়া যেতে পারে ‘কর্তা’র ইচ্ছায়। শাসকের চাহিদায়। আমাদের ‘ইতিহাসের শুরু’ ও ‘অবসান’ নিছকই মালিকের ইচ্ছানির্ভর হয়ে উঠেছে শতবছরের আগে-পরে। কিন্তু এই ‘শুরু’র আগে কিংবা ‘শেষ’-এর পরেও থেকে যায় না কি কিছু? এমনকিছু যা শাসকের বয়ানের বাইরের! এমনকিছু যা খেয়ালখুশিমতো ইতিহাস বানানো আর ভেঙে ফেলার অতীত! এমন কিছু… যাকে আমরা ‘ইতিহাস’ বলেই ডাকতে পারি! ‘ইতিহাস’ অর্থে বঙ্কিম বা ফুকোয়ামাদের অভীষ্ট ব্যাখ্যা নয়; ‘ইতিহাস’ মানে মানুষের সচেতন নির্মান। উনিশ শতক থেকে বিশ শতকের শেষ পর্যন্ত আমাদের ‘আধুনিকতা’, আমাদের ‘ইতিহাস’-এর এই ছোট্ট জীবনীতে যারা কোনওমতেই ঢুকতে পারেনি কোনোদিন, তাদের ইতিহাস। নিজেদের তৈরি করা নিজস্ব ইতিহাস। দেশের, দুনিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ তারাই, তারাই পিলসুজ; তাদেরই ইতিহাস লুঠ হয়েছে প্রতিদিন। লোপাট হয়েছে ইতিহাসে তাদের অধিকার। তবু, যতদিন আছে তারা ততদিন ইতিহাস রয়ে যাবে। ততদিন ইতিহাস বয়ে যাবে…

কেউ সে স্রোত থামাতে পারবে না!


লেখাটি লিখেছেন সৌম্যজিৎ রজক

Advertisements
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s