হাসি যখন হাতিয়ার

আর কে লক্ষ্মণের দুটি বহু পুরনো কার্টুন দেখছিলাম কয়েকদিন আগে। একটিতে এয়ারপোর্টের হ্যাঙ্গারে কর্মরত কিছু মানুষ — এয়ারস্টেয়ারস ঠিকঠাক করা হচ্ছে। স্টেয়ারসে নামার ঠিক মুখে এক বড়সড় শক্তপোক্ত দড়ির জাল সেট করা হয়েছে। কেউকেটা কাউকে রিসিভ করার প্রস্তুতি। এক কোণে জনৈক ব্যক্তির হাতে ধরা খবরের কাগজ। সেই ব্যক্তির মন্তব্য — “মনে হয় পুরো খাটুনিটাই ফালতু যাচ্ছে …” কাগজের ফ্রন্ট পেজে হেডলাইন – ‘ফোরড আসছেন না।’ ছবি নিম্নরূপ —

 Pic 1

অন্যটির ঘটনাস্থল কোন এক মন্ত্রীর প্রশস্ত চেম্বার। সবকিছু অগোছালো। নির্বিকার মুখে ঘর গুছোচ্ছে স্যুইপার। টেবিলের ড্রয়ার টেনে বের করা হচ্ছে। মেঝেময় ছড়িয়ে কারেন্সি নোট। ড্রয়ারে আরো। নতুন বহাল হওয়া মন্ত্রী হতভম্ব দর্শক। পাশে দাঁড়িয়ে আমলার মন্তব্য — “ আপনার ঘর রেডি করা হচ্ছে স্যার। আসলে আপনার পূর্বতন মন্ত্রীকে এতো আচমকা সরানো হলো যে উনি নিজের জিনিসপত্রও গুছিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পাননি।” এই ছবিও নীচে দেওয়া হলো —

Pic 2

কার্টুন দুটির প্রাপ্তিস্থল ‘ব্রাশিং আপ দ্য ইয়ারস’ (পেঙ্গুইন, ২০০৮) – ১৯৪৭ সাল থেকে হালফিল অব্দি লক্ষ্মণের লেন্সে ভারতের ইতিহাস।

দুটি কার্টুনই সেই সময় সেন্সরড হয়েছিল। সময়কাল — ১৯৭৫ সাল। ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। ২৫শে জুন ইন্দিরা গান্ধী জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে দিয়েছেন। তার কিছু আগে মার্চ মাসে আমেরিকা নতুন করে পাকিস্তানের সাথে অস্ত্র সরবরাহের চুক্তি চালু করেছে। তৎকালীন মার্কিন সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরী করতে শ্রীমতী গান্ধী তখন মরীয়া। প্রেসিডেন্ট ফোর্ডের আসার একটা পরিকল্পনা ছিল ঠিকই। শেষ মূহুর্তে তা হয়নি।

আপাতদৃষ্টিতে কার্টুন দুটির মধ্যে খুব আপত্তিকর কিছু পাই কি ? ফোর্ডের জন্যে এয়ারস্টেয়ারস-এ দড়ির ফাঁদ পাতা সহজ বাংলায় ‘পাকড়ে ফেলা’র ভিশ্যুয়াল অভিব্যক্তি। মানে – সুকুমার রায়ের ‘আবোল তাবোলে’-র ‘ফস্‌কে গেল !’ ছড়ার মত আর কি।
আর মন্ত্রীর ড্রয়ার ভর্তি টাকা তো আমাদের গা সওয়া প্রাচীন দেশজ ঐতিহ্য — দুর্নীতি। তাহলে সেন্সরশিপ কেন? ‘কেন’-র উত্তর অধিকাংশ লোকেরই জানা। ক্ষমতা অসহিষ্ণুতার জন্ম দেয়। অসম্ভব উচ্চাকাঙ্খী ইন্দিরার তখন এক এবং একমাত্র স্বপ্ন — ক্ষমতার মনোলিথ হয়ে ওঠা। প্রায় ডিলিউশনের পর্যায়। ফলত – যে কোন মতবিরোধ নিয়ে উগ্র অসহিষ্ণুতা। আই এন সি- র তৎকালীন সভাপতি ডি কে বড়ুয়ার চাটুকারী স্লোগান (ইন্ডিয়া ইজ ইন্দিরা – ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া) তখন প্রায় জাতীয় অ্যানথেম। এমতাবস্থায় এরকম কার্টুন এক রাষ্ট্রবিরোধী কার্তুজের সামিল। কাজেই …

… কাজেই, কথাটা কি ?

আগেই বলে রাখি — আমি কোন তাত্ত্বিক নই। যেহেতু কার্টুন আর গ্রাফিক ন্যারেটিভ এর দুনিয়ায় আমার বিচরণ, সেহেতু সাধ্যমত বইপত্র যোগাড় করি, বাজারে পাওয়া যাবেনা এরকম প্রচুর জম্পেশ দেশ বিদেশের কার্টুন ও গ্রাফিক নভেল অনলাইন হাতিয়ে নিয়ে ফোলডার-বন্দী করি। ব্যাস। এটুকুই। আর একটু আঁকিবুকি।

সেই বিষয়টা একেবারে ভাবনা চিন্তা ছাড়া আসেনা। আসার কথাও না। সেই প্রসঙ্গে দু-চার কথা। কথা কিছু এলোমেলো হতে পারে। তার জন্য অগ্রিম ক্ষমাপ্রার্থী।

মনে আছে, আসন্ন পরীক্ষার চাপ সত্ত্বেও জাতীয় গ্রন্থাগারের মেইন রীডিং হলের গুচ্ছের অবশ্যপাঠ্য রেফারেন্স বুকস এর চাইতে অনেক বেশি টানত ক্যানটিনের পাশে আধো অন্ধকার অ্যানেক্স বিল্ডিং। নেশাগ্রস্তের মত টেনে নামাতাম ব্রিটিশ আমলের আউধ পাঞ্চ-এর কালেকশন এবং স্বাধীনতা-উত্তর ভারতীয় পত্রপত্রিকা। বোঝার চেষ্টা করতাম এমন কোন মুচকি হাসির ধরণ আছে কিনা যা একান্তই আমাদের, নিজস্ব — অর্থাৎ ভারতীয় কার্টুনের ইতিবৃত্ত। হাজার হোক কার্টুনের ধারণা তো প্রিন্টিং প্রেসের দৌলতে বিলেত থেকেই পাওয়া। প্রাক-স্বাধীনতা ভারতীয় কার্টুন থেকে – যা কিনা মূলত ব্রিটিশ শাসকবর্গের চাটুকারিতা বই অন্য কিছু ছিলনা স্বাভাবিকভাবেই – এক স্বতন্ত্র সত্ত্বা হিসেবে ভারতীয় কার্টুনিস্টের আত্মপ্রকাশ — সে এক সুদীর্ঘ যাত্রাপথ। সময় লেগেছিল প্রায় এক শতাব্দী।

১৯৩২ সালে কে শঙ্কর পিল্লাইকে স্টাফ কার্টুনিস্ট হিসেবে নিয়োগ করে দ্য হিন্দুস্তান টাইমস। শঙ্করের কার্টুনে নেহরু ছিলেন এক কমন সাবজেক্ট। সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভারতের ডামাডোলের বাজারে নেহরুর বেসামাল অবস্থা এবং বিশেষ করে তাঁর বিদেশ নীতি নিয়ে শঙ্করের কার্টুন অজস্র। নেহরু বিষয়টা দেখতেন ভালো মেজাজেই। শঙ্করের কাছে তাঁর সেই বার্তা তো বিখ্যাত — “ডোন্ট স্পেয়ার মি শঙ্কর! হিট, হিট, হিট মি হার্ড!”

১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এবং অচিরেই জনপ্রিয় হয় শঙ্কর’স উইকলি। বহু বছর চলে সেই পত্রিকা। পত্রিকার শেষ সংখ্যার সম্পাদকীয়তে আচমকা শঙ্করের লেখা পাই – “একনায়কতন্ত্রে হাসির স্থান নেই। কেননা জনগণ একনায়ককে নিয়েও মুচকি হাসতে পারে। এবং তা হলে তো চলবেনা !” একটাই কারণে এই উদ্ধৃতি। এর প্রকাশকাল ৩১শে আগষ্ট, ১৯৭৫। পটভূমিকায় সেই জরুরী অবস্থা।

আজ অফিসিয়ালি জরুরী অবস্থা ঘোষিত না থাকলেও সেন্সরশিপের একাধিক রঙ বেরঙের আনঅফিসিয়াল বোর্ড চালু গোটা দেশ জুড়ে। এ নিয়ে দ্বিমত নেই। দুর্নীতি নিয়ে কার্টুন করার ‘অপরাধে’ অসীম ত্রিবেদীর ওয়েবসাইট কার্টুনসএগেইনসটকরাপশন.কম কে মূহুর্তে বন্ধ করে দেয় ক্রাইম ব্রাঞ্চ মুম্বাই। অসীমকে জেলেও যেতে হয়। ইন্টারনেট সেন্সরশিপের নিদর্শন আরো আছে। রাজ্যেও – রাজ্যের বাইরেও।

আবার লক্ষ্মণে ফিরে আসি। ক্লান্তিহীন গতিতে অগুন্তি কার্টুন এঁকে গেছেন আর কে লক্ষ্মণ সারা জীবন। অদ্ভুত ব্যাপার, প্রায় প্রতিটি কার্টুন তার মত করে ঝকঝকে, ইউনিক। প্রতিটি কার্টুনের সাথে সাধারণ মানুষ মূহুর্তে রিলেট করতে পারে। কেননা কার্টুনগুলির বিষয় আমাদের প্রতিদিনের জানা বিষয় – যেন তারা আমাদেরই কথা বলে দিচ্ছে আমাদের হয়ে। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টি কমন ম্যান যেন আমরা প্রত্যেকে!  সম্প্রতি গোগ্রাসে পড়লাম পেঙ্গুইন থেকে প্রকাশিত আরও দুটি বই – ‘দ্য বেস্ট অফ লক্ষ্মণ – দ্য কমন ম্যান ওয়াচেস ক্রিকেট’ এবং ‘লাফ উইথ লক্ষ্মণ’। বিষয় বিবিধ এবং আমাদের পরিচিত — বিভিন্ন সরকারী মহলে দুর্নীতি, জনবিরোধী বাজেট, ক্ষমতালোভী রাজনীতিবিদদের যথেচ্ছ দলবদল, বেকার সমস্যা, স্ক্যাম, ক্রিকেটে দুর্নীতি তথা ম্যাচ-ফিক্সিং, স্বজনপোষণ, দারিদ্র্য, ভোটের রাজনীতি, উন্নয়ণের ভড়ংবাজি, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি। কার্টুনগুলি কোন না কোন  নির্দিষ্ট সময়ে আঁকা অর্থাৎ টপিকাল হয়েও সবসময় প্রাসঙ্গিক। ‘দ্য কমন ম্যান ওয়াচেস ক্রিকেট’—এর ভূমিকায় লক্ষ্মণ জানান এতাবৎকাল অব্দি নিজের আঁকা সহস্রাধিক কার্টুন ঝাড়াই বাছাই করতে গিয়ে তিনি নিজেও এই প্রাসঙ্গিকতা আবিষ্কার করে বিস্মিত। তিনি আরও বলেন — স্বাধীনতার পর প্রায় সাত দশক ধরে শাসকবর্গ তার/তাদের রাশি রাশি প্রতিশ্রুতির অর্ধেকও যদি পালন করতো তাহলে হয়তো এই দেশে কার্টুনিস্ট এক বিলুপ্ত প্রজাতি হিসেবে পরিগণিত হতো।

এখান থেকে ভাবনা আরেক দিকে মোড় নেয়। বিশেষ করে গত দুই তিন দশকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি দ্রুত যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে বা দাঁড়াচ্ছে তাতে ‘সমস্যা’ শব্দটি নিতান্ত দুবলা ইউফেমিজম। এক অদ্ভুত আঁধারের অ্যাবসার্ড সুড়ঙ্গে চেনা শব্দকোষ বা ধারণা আজ পুরো ওলটপালট। এতটাই ওলটপালট যে কার্টুনিস্টও ক্লান্ত হতে পারেন। প্রায় বিশ বছর আগে আঁকা লক্ষ্মণের একটি কার্টুন কি অসম্ভব তাৎপর্যময় ভবিষ্যদ্বাণী! ছবিটি এইরকম — গান্ধী টুপি পরিহিত স্থূলকায় অসংখ্য মন্ত্রী লাইন দিয়ে ঢুকছেন ১০ নং জনপথে। শ্রীমতী সনিয়া গান্ধীর বাসস্থান। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, প্রায় কোমায় চলে যাওয়া কংগ্রেসকে আরো একবার চাঙ্গা করতে আলটিমেট ইনসুলিন হিসেবে সনিয়াকে প্রায় জোর করেই কংগ্রেসের সদস্য করা হয়। তাঁকে সামনে রেখেই নির্বাচনী তোড়জোর। কার্টুনে বাড়ির বারান্দা থেকে দূরবীণে এই শোভাযাত্রা দেখছেন  সস্ত্রীক কমন ম্যান। খোলা দরজা দিয়ে ভেতরের ঘরে দেখা যাচ্ছে খোদ লক্ষ্মণকে – একমনে কাগজ পড়ছেন। কমন ম্যানের স্ত্রীর সহাস্য উক্তি – “উনি (লক্ষ্মণ) বলছেন, এই গোটা ব্যাপারটাই এত হাস্যকর যে এ নিয়ে কার্টুনও করা যায় না। কাজেই আজ উনি কোন কার্টুন আঁকবেন না।” সম্ভবত এটিই একমাত্র কার্টুন যেখানে লক্ষ্মণ স্বয়ং ফ্রেমে উপস্থিত। ছবিটি নীচে দেওয়া হলো।

   Pic 3

অথচ আজকের এই সময় তো আপোষহীন কার্টুনের সময়! এই দেশের দৃশ্যপট আজ যে কোন সচেতন কার্টুনিস্টের অবাধ চারণভূমি। লক্ষ্যনীয়ভাবে গত বেশ কয়েক বছর ধরে দৈনিক সংবাদপত্রে রাজনৈতিক কার্টুন প্রায় বিলুপ্ত। তার নানারকম কারণ থাকতে পারে।

উপযোগিতামূলক এক সামাজিক কাঠামোতে আমাদের চৈতন্যের অন্দরমহল এই মূহুর্তে বাজার-বিধৌত। আমাদের সামনে সতত এক শাশ্বত দৌড় – আরো আরো গ্রাস করার দৌড়। মূল খবরের কাগজের এ পিঠ ও পিঠ মুড়ে থাকছে একটি, বা দরকার ও পালা-পার্বন বুঝে, দুটি তিনটি স্রেফ বিজ্ঞাপনের মলাট বা জ্যাকেট। মিডিয়া ঠিক করে দিচ্ছে আমাদের ফুড হ্যাবিট — আক্ষরিক ও আলঙ্কারিক উভয় অর্থেই। পাঠক/দর্শক কোনটা ‘খায়’ বা ‘খায় না’ ঠিক করবে মিডিয়া – যা কিনা কর্পোরেট সেক্টরের ক্রীড়নক। আবার এই কর্পোরেট সেক্টর ও সরকারের এক অনিবার্য দুষ্টুমিষ্টি শোওয়া-বসা। সেই বেডরুমে রাজনৈতিক কার্টুন এক অবাঞ্ছিত আরশোলা। যেহেতু ‘কার্টুনিস্ট’ এক মননশীল লেখক – তিনি নিছক ‘হাসির ছবি’ আঁকিয়ে নন। তাঁর ‘হাসির’ বা ব্যঙ্গের মুখোশের পেছনে কিন্তু থেকে যায় এক গভীর বিষণ্ণতা। কেননা প্রকৃত কার্টুনিস্ট এক সংবেদনশীল মানুষ যিনি আমজনতার প্রতিনিধি। আর কার্টুনের আঁতুরঘর সেই আমজনতার হাস্যরস বা সেন্স অফ হিউমার — যা কাউকে রেয়াত করে না। ঝুপড়ি চায়ের দোকান থেকে কফি হাউস বা ভিড়াক্রান্ত লোকাল ট্রেন পাড়ার রোয়াক — সেখানে গা ছাড়া একটি দু’টি বাক্যে যখন তখন বিদ্ধ হয়ে যায় শাসনের তামাম সিস্টেম, পাওয়ার স্ট্রাকচার। ক্ষমতার বাইরের জনতা আর ক্ষমতাসীন কতিপয় – এই দুয়ের মাঝখানে কার্টুনিস্ট এক সেতু। কার্টুন হয়ে ওঠে ‘অন্য’ বা ‘বিকল্প’ স্বর। প্রতিবাদের ভাষা। ক্ষমতা যে কোন প্রতিবাদের ব্যাপারে অসহিষ্ণু। গোটা দুনিয়ার গল্পই তাই। সংবাদপত্র থেকে কার্টুনের নিঃশব্দ বিদায়ের হয়তো সেটাও একটা কারণ। বরং একটু আধটু ‘মজার’ লেখার সাথে সে থাকুক নিতান্ত ইলাস্ট্রেশন বা অবস্থাবিশেষে স্রেফ ইনফোগ্রাফিক্স হয়ে। অনেক নিরাপদ।

তবে কার্টুনিস্ট ‘প্রজাতি’ সহজে বিলুপ্ত হওয়ার নয়। কেননা ‘কার্টুনের নির্যাস’ জনমানসের গভীরে প্রোথিত। মেইনস্ট্রিমের বাইরে খুলে গেছে বিকল্প প্ল্যাটফর্ম — বৈদ্যুতিন মাধ্যম – বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। রাজনৈতিক কার্টুনের জন্য একজন অসীম ত্রিবেদীর জেল হতে পারে — আক্রান্ত হতে পারে শার্লি হেবদো। কিন্তু সেই বিকল্প প্ল্যাটফর্মে উঠে আসে আরো অনেক অসীম। হাজার মানুষ দাবী করে তারা সবাই এক এক জন শার্লি হেবদো। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বিভিন্ন ভাষা।  কার্টুন তার মধ্যে অন্যতম। প্রতিটি ব্রাশপেন বা তুলি সেখানে হাতিয়ার।

  Pic 4

   সৌজন্যেঃ দ্য টেলিগ্রাফ, ইউ কে


লেখাটি লিখেছেন সর্বজিৎ সেন।

Advertisements
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s