নীল আসমান পে লাল সিতারা

আশুতোষ JNU-র ছাত্র। সম্প্রতি যে ৫ জন ছাত্রর বিরুদ্ধে Sedition-এর অভিযোগ ওঠে তাদের অন্যতম। AISA সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সভায় বক্তব্য রাখতে আসেন। মূল কথাবার্তা হয় ইংরাজি ও হিন্দিতে। অনুবাদ কোরাসের।

এই সময় দেশের ছাত্র আন্দোলনের ঐক্য নিয়ে কিছু কথা … জে এন ইউ-তে কিভাবে বামপন্থী দলগুলো আন্দোলনের জন্য এক হলো?

FTII-র ঘটনা, রোহিত ভেমুলার ইস্যু, জে এন ইউ-তে ছাত্রদের উপর আক্রমণ, সব মিলিয়ে দেশ জুড়ে RSS-রা ব্যাপক হামলা করছে। সমস্ত বামপন্থীদের ‘দেশদ্রোহী’ তক্‌মা দিচ্ছে। বামপন্থা, সর্বোপরি গণতন্ত্রের উপর আক্রমণকে মোকাবিলা করার জন্য, বাম সংগঠনগুলোর ন্যূনতম কিছু কর্মসূচী  ঠিক করে RSS-কে expose করতে হবে। সাধারণ মানুষ ওদের অবৈজ্ঞানিক ‘দেশভক্তি’-র ব্যাখ্যার সঙ্গে একাত্মবোধ করে না, তাই ওদের ‘দেশভক্তি’-র যে পরিভাষা, তাকে চ্যালেঞ্জ করেই JNU-র ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করে। আমরা যারা JNU-তে বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, তারা একসাথে বসে ঠিক করেছি কিভাবে আমাদের বার্তাকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া যায়। কানাহাইয়ার ভাষণে আপনারা তা খেয়াল করছেন নিশ্চয়-ই। আমাদের মধ্যে মতাদর্শগত ফারাক আছে, কিন্তু RSS-কে মোকাবিলা করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। একত্রে কিছু কর্মসূচীও নিয়েছি। কারণ শুধু JNU-র ভেতরে নয়, বাইরেও এর প্রচার প্রয়োজন। JNU-তে সরাসরি আক্রমণ নেমে আসে। ৫জনের উপর Sedition(রাজদ্রোহ/ রাষ্ট্রদ্রোহ)-এর চার্জ লাগে। এসব কিছুর বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হচ্ছে। একসাথে দেশের নানা জায়গায় যে ছাত্র আন্দোলন চলছে তাকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। JNU-র ছাত্র প্রধান আমাদের আওয়াজ, আমাদের লড়াইকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে। বামপন্থীদের, সহজ ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে সহজ করে বললেও কথাগুলো যেন দৃঢ়ভাবে বলা হয়। তবেই মানুষ আমাদের আন্দোলন ও আন্দোলনের ঐক্যের কথা জানতে পারবে, সহমত পোষণ করবেন। আমাদের আন্দোলনটা বেশ স্বতঃস্ফূর্ত ছিল, এমনটা নয় যে আমরা সব কথা আগে থেকে ভেবে ঠিক করে রেখেছিলাম। পথ চলতে চলতে আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি ঠিক হচ্ছিল। লোকজন নিজে থেকেই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হচ্ছিল। এর আগে JNU-তে এতো বড়ো আন্দোলন একবারই হয়েছিল- মিটার চার্জের ইস্যুতে। কিন্তু এবার আন্দোলন দীর্ঘদিন ধরে চলছে, এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে ছাত্ররা কতটা রেগে আছে প্রশাসনের ওপর। RSS, BJP-দের ব্যপক হামলা সত্ত্বেও আন্দোলন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। ছাত্ররা দমে যায় নি। JNU-র ওপর হামলার কারণ একটাই – JNU সবরকমের শোষণের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠে, সেটা FTII-ই হোক বা রোহিত ভেমুলার ঘটনাই হোক… তাই সব ক্যাম্পাসে গিয়ে আমরা আমাদের লড়াইয়ের কথা জানাই। আমাদের মধ্যে যারা গুছিয়ে কথা বলতে পারে, তারা যাতে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে না পারে, সেই জন্য RSS-BJP তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে আন্দোলনকে থামিয়ে দিতে চাইছে। যেমন কানহাইয়ার ক্ষেত্রে হয়েছে। তার জামিনের কাগজে কিছু শর্ত আছে, যার অন্যথা হলে আবার কানহাইয়ার জেল হতে পারে। আশার কথা এই যে শুধু নেতারা নয়, JNU-র সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা এখন আন্দোলনের কথা ও ভাষা গুছিয়ে বলতে পারছে। তাই সবাই মিলে আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সেহলা রসিদের(JNU-র Vice President) বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয় নি। কানহাইয়ার অনুপস্থিতিতে সেহলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, নেতৃত্ব দিয়েছে। এই সব কিছুর মধ্যে প্রধান ইস্যু হলো রোহিত ভেমুলা। আমরা লড়ছি রোহিত অ্যাক্ট লাগু করার জন্য এবং স্মৃতি ইরানিকে expose  করার জন্য। ‘আইডেন্টিটি’ বিষয়ে বহু তর্ক আছে বামেদের মধ্যে  তা এই আন্দোলনে সামনে এসেছে। বামপন্থীরা আলাদা হওয়া সত্ত্বেও হায়দ্রাবাদের মতো JNU-তেও একত্রিত হয়েছে- এটাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি। লড়াই চলবে, তা যতই লম্বা হোক না কেন…

‘ইতিহাস’ বনাম ‘মিথলজি’, ‘ফিলোসফি’ বনাম ‘থিওলজি’- এই যুদ্ধে ছাত্রদের ভূমিকা বিষয়ে কিছু কথা যদি বলো।

আমার মনে হয়, আমরা সবাই বামপন্থী, মার্ক্সবাদী- আমরা যুক্তিবাদী। আর আমাদের যুক্তির সামনে ওদের যুক্তি ধোপে টিকবে না। প্রথমত, সত্যিটা মানুষকে জানাতে হবে। ওদের জাতীয়তাবাদের উৎসের কথা বলতে হবে। বলতে হবে গোলওয়ালকার কী লিখেছেন। RSS-BJP আখলাখকে খুন করে পার পেয়ে যাবে। বড়ো বড়ো কোম্পানি গুলো লোন পাবে, বিজয় মালিয়াকে পালাতে দেবে আর যারা সত্যি কথা বলবে তাদের জেলে দেবে।আন্দোলনের শুরুর দিকে অনেকে ভাবতেন RSS-BJP যা করেছে ঠিক করেছে, বেশ করেছে। অনেক অটো চালকরা আমাদের বলতেন-‘ তোমরা পাকিস্তানি তোমরা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছ’। কিন্তু আন্দোলন যত এগোল, আমরা কথা বলতে শুরু করলাম। মানুষ বুঝলো যে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে, জাল ভিডিও’র ভিত্তিতে গরীবের ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। ওদের মনে হয়েছে ওরাও তো গরীব, ওরাও আজাদির স্বাদ থেকে বঞ্চিত। সারাদিন মেহনত করেন কিন্তু টাকা পান না। আমাদের ছেলেটা আমাদেরই কথা বলেছে। আমার মনে হয় আন্দোলন এই জায়গাটা করতে পেরেছে। এবার এই স্পেসে যে মানুষরা আছেন তাদের কাছে আমাদের ভাবনাটা নিয়ে যেতে হবে। ইতিহাসকে মিথ দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা – এটা কখন হয়? যেমন মানুষ ভগবানে বিশ্বাস করে কারণ তার কাছে যুক্তির হাতিয়ার থাকে না। তারপর যুক্তি, বিজ্ঞান পৌঁছলে তার অস্তিত্ব অস্বীকারও করে। এই আন্দোলনে প্রথমবার দেখলাম JNU-র ছাত্র-ছাত্রীরা  বাড়ির লোকেদের সঙ্গে ঝগড়া করছে।  ভাবো ৮০০০ ছাত্র-ছাত্রী বাড়ির লোককে বোঝাচ্ছে! বুঝতে পারছো! এটা ঠিকই যে আমাদের কথা গুলো প্রথমে ছাত্রদের কাছেই পৌঁছয়। তারপর কী? আইকন জরুরি, শুধুতো আইকন দিয়ে আন্দোলন চলবে না। মেহনতি মানুষের কাছে গিয়ে আরো কথা বলতে হবে। অনেকের ধারণা বামপন্থীরা কেবল সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে। আমার মনে হয় উচিৎ কথা বললে লোকে শুনবে। যেমন ১৬ ডিসেম্বরের পর যে আন্দোলন হল। আমরা তো অনেক বছর ধরেই নারীর অধিকারের কথা বলছি; কিন্তু আন্দোলন শুরু হবার পর তা আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছল। প্রথমে তো লোকে ফাঁসির দাবি তুলেছিল, তারপর আন্দোলন থেকে ফাঁসির দাবি নয়, আজাদির কথা উঠে এল- শুধু নারীর নয়, পুরুষের, LGBT community- র সবার। ওদের কাছে পুলিশ আছে, মিডিয়া আছে, Sedition(রাজদ্রোহ/ রাস্ট্রদ্রোহ) charge আছে, তবুও তো মানুষ লড়ছে! সোনি সোরি লড়ছেন, মনোরমা লড়ছেন, ইরম শর্মিলা লড়ছেন । তার থেকে শক্তি পাওয়া গেছে। শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে নয়, সবার মধ্যে একতা তৈরি হয়েছে- সেটা এই আন্দোলনের ফলে। এই একতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, দৃঢ় করতে হবে।

বর্ডার, গাদার, মা তুঝে সেলাম  ইত্যাদি জনপ্রিয় সিনেমাতে যে ‘দেশপ্রেম’-এর ধারণা প্রচার করা হয়, শেখানো হয়; যা কিনা আমরা ছোটোবেলা থেকেই দেখে বড়ো হচ্ছি, যার সমালোচনা আমরা আকছার করে থাকি। এই সমালোচনাটা কিভাবে জনমানসে/ জনচৈতন্যে পৌঁছে দেওয়া যায়?

এটা মুশকিলের, কিন্তু আমাদের করতেই হবে। এটা ঠিক-ই যে অল্প বয়স থেকে এগুলো দেখেই মানুষ বড়ো হয়, সহজেই এসব শেখানো হয় ওদের। কিন্তু এতে ওদের কি কোনো দোষ আছে? আমাদের নিজেদের, অর্থাৎ বামপন্থীদেরই এইসব unlearn করতে হয়েছে। বিপরীত স্রোতে হাঁটাই তো বামপন্থীদের কাজ। এর কোনো সহজ রাস্তা নেই। লাগাতার পরিশ্রমই একমাত্র বিকল্প। আবারও বলছি, প্রতিটা আন্দোলনই তার নিজস্ব ভাষার জন্ম দেয়। সেখান থেকেই আমরা শক্তি সঞ্চয় করি। তাই জন্য লোকজন শুনতে চায় নতুন কী বলার আছে আন্দোলনকারীদের। যেমন ভগৎ সিং-এর সময় তার কথা গুলো নতুন দিশা দেয়। কংগ্রেস তা শোনেনি। পরে সেই আন্দোলন কী করতে পেরেছিল ইতিহাস-ই তার সাক্ষী। তবে হ্যাঁ, কেবলমাত্র বন্দুকের ক্ষমতায় বিপ্লব আসবে তা নয়। লোকের কাছে কথা পৌঁছনোটা বেশি জরুরি। আর একটা কথা লোকে বলে – বামপন্থীরা খুব শক্ত ভাষায় কথা বলে। আমার কিন্তু তা মনে হয় না। কারণ বামপন্থীরা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিদিন কাজ করছে, সাধারণের সমস্যা সব থেকে কাছ থেকে দেখছে। তবে বামপন্থীদের ভাষা মানুষের ভাষা না হলে কাদের ভাষা? রাহুল গান্ধিদের মতো নয়, যে গাড়ি থেকে নামলাম, ভাষণ দিলাম আর চলে গেলাম… Dominant discourse হয়তো ওরাই তৈরি করছে। মিথ্যে কথা বারবার বললে সত্যির মতো শোনাতে পারে, কিন্তু যা সত্যি সেটা তো মিথ্যে হয়ে যাবে না। আমাদের বিশেষত, ছাত্রদের দায়িত্ব সত্যিটাকে সামনে আনার। কারণ JNU, যাদবপুরে কিছু ঘটলে খবর হয়। অন্য জায়গায় হয় না। আমরা তো সত্যি প্রিভিলিজড্‌, সেটা উপলব্ধি করেই দায়িত্ব নিতে হবে। আন্দোলন যেন থেমে না থাকে।

JNU-তে যে আন্দোলন হচ্ছে তা থেকে কিছু নতুন স্লোগান উঠে এসেছে, নতুন ভাষা তৈরি হয়েছে… সে বিষয়ে কিছু কথা …

 আসলে এই ভাষা অনেক দিন ধরেই বামপন্থীরা ব্যবহার করছেন, মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। এই সরকার যে Witch hunt শুরু করেছে তাতে ওরা কিছুটা পিছু হটেছে। মিডিয়া থাকা সত্ত্বেও  মিথ্যা কথা বলছিল, এখন সে গুলো সামনে আসছে। যারা সাধারণত রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেন না তারাও সামিল হয়েছেন। ঐক্যবদ্ধ হামলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। আজাদির স্লোগানকে নতুন করে সংজ্ঞা দেওয়া, নতুন করে বোঝানো- আমরা যে দেশে থাকি সে দেশে সত্যিই আজাদি আছে না নেই…বোঝানো যে জাতীয়তাবাদ সীমান্ত দিয়ে তৈরি হয় না, দেশ মানে কেবল মানচিত্র নয়; মানুষ, কাশ্মীরের মানুষের দুঃখ, কষ্ট, যন্ত্রণা আমাদেরও- এটা বোঝানো সম্ভব হয়েছে বলে আমার মনে হয়। যে সব Activist-রা JNU তে এসে কথা বলছেন, মানুষের মনে হয়েছে তারা তাদেরই কথা বলছেন… তাদের এলিট বলে মনে করেন নি।

কানহাইয়ার ভাষণ যে রকম…

হ্যাঁ সেটা Connect করেছে…

এখন যা চলছে তা কী Classical fascism নাকি এটা নতুন/ অন্য কিছু?

(হেসে) Classical কোনো কিছুতে আমি তেমন ভরসা করি না। আসলে Classical বলে এখন আর কিছু হয় না, সবকিছুই নতুন ভাবে গড়া। জাতপাত আগেও যে ছিল সেই ভাবেই আছে, আবার নতুন কিছু form যুক্ত হয়েছে। দুটোই সত্যি। আমরা অনেক দিন ধরেই বলছি – ফ্যাসিজ্‌মের যে চেহারা ছিল – এক ধর্ম, এক ভাষা, এক জাতি- সেটা RSS, BJP-এ দেশে চালু করার চেষ্টা করছে অনেক দিন ধরেই। অলিতে-গলিতে, আনাচে-কানাচে, গল্প-কবিতা বলে ওরা এটা প্রচার করছে। RSS-এর তো স্কুলও আছে। একদিনে তো হয়নি, অনেকদিন ধরে এসব চালাচ্ছে। আমাদের সামাজিক বৈচিত্র্য ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে, সংগঠিত ভাবে। ভাগ করে দিচ্ছে রামজাদা আর হারামজাদা বলে। গরুর মাংস যারা খায় আর যারা খায় না তাদের মধ্যেও… এই বিভাজন আগেও ছিল, কিন্তু হঠাৎ করে এত প্রকট হয়ে উঠল কেন? এটাই ফ্যাসিজ্‌মের কীর্তি। হামলা শুরু হয়েছে সাংবাদিকদের ওপর, বুদ্ধিজীবীদের ওপর, যে সত্যি কথা বলছে, প্রতিবাদ করছে তাদের ওপর, আন্দোলন করলেই সেটাকে বেআইনি ঘোষণা করছে- এটাই ফ্যাসিজ্‌মের Pattern। জার্মানিতে ওরা জাতিকে হাতিয়ার করেছিল; ভারতবর্ষে অন্য হাতিয়ার আছে। যেমন ধর্ম, জাত। যারা জাতের বিচারে নিচের দিকে তাদের সমর্থন জোগাড় করে ধর্মের দোহাই দিয়ে। যেহেতু ভারতবর্ষে এতো প্রতিরোধ গড়ে উঠছে- ওরা টিকবে না।

BJP যে আক্রমণ করছে তার আড়ালে কী কিছু লুকোচ্ছে?

আক্রমণ তো হচ্ছে। আসলে দুটো জিনিস একসাথে চলছে- দেশ বেচার কাজ আর কর্পোরেট তোষণ, সেই সঙ্গে মুসলিম বিদ্বেষ- এটাই লুকানোর চেষ্টা করছে। নিজের স্বাতন্ত্র্য বেচে দিল, জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়িয়ে দিল, শিক্ষা বেচে দিল- এটাকে লুকানোর জন্য উগ্র জাতীয়তাবাদ আর ধর্মের আশ্রয় নিচ্ছে। এতকিছু হওয়ার পর অরুণ জেটলির মতো নেতারা বয়ান দিচ্ছেন, কারণ ওরা ভাবছেন এই ভাবেই মেরুকরণ করা সম্ভব, আর ওটাই ওদের লক্ষ্য। কিন্তু ওরা সফল হবে না। গরীব মানুষ ধর্ম-জাত এসব বিভেদের কথা ভাবে না। কংগ্রেসও এই বিভাজন করার চেষ্টা করেছিল। এরা তো আরও উগ্র।


Advertisements
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s