মে-জুন, ২০১৭

সম্পাদকীয়

খিদের কোনো ধর্ম নেই। তবু সেই ধর্মের ভিত্তিতেই ভাগ করে গরীবে-গরীবে দাঙ্গা লাগিয়ে, কৃষক-শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে মস্‌নদে আজ ফ্যাসিস্টরা। নিজের ইচ্ছেমত কথা বলা যাবে না, খাওয়া যাবে না, খিদে পেলে খাবারের দাবি করা যাবে না। “অচ্ছ্যুৎ”, “মোস্‌লা”, “কমি”, “দেশদ্রোহী”, “পাকিস্তানি”, “টেরোরিস্ট” – কত তক্‌মা দিয়ে হবে কন্ঠরোধ… আরো আছে, দৃষ্টান্তমূলক মৃত্যুদণ্ড। আমরাও উচ্ছ্বসিত হব তাতে, কারণ তাহলে নিজের দায়টা এড়ানো যায়, পাড়ার মোড়ের ইভ টিজিং বা উলঙ্গ করে দেওয়া পুরুষের চাহনি বৈধতা পায়। এত কৌশল না করে সোজাসাপ্‌টা মেহনতি মানুষের ‘শাইনিং-ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ খুলে আম বেচে দিলেই হয়। আমরা আর কিইবা করব সাহাব! কুচকাওয়াজ করব খানিক। আপনাদের আছে রাষ্ট্রযন্ত্র, ভারি কামান। পিষে ফেলবেন আমাদের না হয়! কিন্তু একটা কেবল মুশ্‌কিল যে মন্ত্রীমশাই, লড়াই ছোড়াব নাহি! লড়বে কাশ্মীর, ছত্তিসগড়, লড়বে কাঁটাতার পেরিয়ে আসা রিফিউজি, লড়বে কিষাণ, মজুর, ছাত্র, লড়বে মালতী, সাবিত্রী বাই, রোকেয়ারা – একসাথে। 

সূচীপত্র 

ফোকাস

মালতী’র সাথে কথোপকথন (সৌজন্যে সোহিনী রায়)

প্রবন্ধ

সহজ পাঠ – সর্বজয়া ভট্টাচার্য

একটি জনপ্রিয় শাস্তি ও রাষ্ট্রের জেলুসিল – সায়ন্তন সেন 

নাটক জারি হ্যায় – সোনালি ব্যানার্জি 

উদ্বাস্তু সব (অথবা শব) – শাওন চক্রবর্তী

আলোচনা/সমালোচনা

দৈনন্দিনতার প্রতিরোধ ও মিশেল দি সার্তো – সুজান মুখার্জি 

Advertisements