মে-জুন ‘১৬

সম্পাদকীয়

১৯৬১ সালে ই এইচ কার প্রশ্ন করেছিলেন, ইতিহাস কাকে বলে? প্রশ্নটার কাছে আবার ফেরত যাওয়ার সময় এসেছে। এই কয়েক বছরে ইতিহাসের বইয়ে অনেক, অনেক নতুন পাতা যোগ হয়ে গেছে, অনেক জল গড়িয়ে গেছে অনেক জায়গায়। আমরা জেনে গেছি, ইতিহাস কাকে বলে, এই প্রশ্নের কোনো একটি উত্তর হয় না। ভারতবর্ষের ইতিহাসে ১৯৪৭ সালকে কেউ স্বাধীনতার বছর হিসেবে চিহ্নিত করতেই পারেন, আবার কেউ বলতে পারেন ‘৪৭ আসলে দেশ ভাগ হয়ে যাওয়ার বছর। সিংহের ইতিহাস হারিয়ে যায় শিকারির ইতিহাস রচনায়।  ইতিহাস মুছে দেওয়ার, ইতিহাসকে বিকৃত করার, এক ধরণের ইতিহাস চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ইতিহাসের গোড়া থেকেই শাসকের প্রবণতা। ইতিহাস বইতে, সিনেমার পর্দায়, গানে, গল্পে, কবিতায়, পোস্টারে, সিলেবাসে, মিডিয়ায়, ইতিহাসের এক মনোলিথিক ধারণা প্রতিষ্ঠা করার সে এক বিপুল আয়োজন। উল্টোদিকে, এই প্রবণতার বিরোধিতা করতে গিয়ে আমরা আশ্রয় নিয়ে ফেলি এমন সব কঠিন তত্ত্বের যে সেই আলোচনা থেকে বাদ পরে যান তাঁরাই, যাঁদের ইতিহাসকে কেউ ইতিহাস বলে স্বীকৃতি দেয়নি কখনো, ইতিহাস থেকে যাঁরা বাদ পড়ে গেছেন, যাঁদের বাদ দেওয়া হয়েছে ক্রমাগত। ছোট মুখে বড় কথার মত শোনালেও, কোরাস চায় ইতিহাসে সবার প্রবেশাধিকার। সমানাধিকার।

কয়েকদিন দেরি করে, কোরাসের তৃতীয় সংখ্যা – ইতিহাস নিয়ে।

 

সূচিপত্র

ফোকাস 

“The history of all hitherto existing society is the history of…” 

 

প্রবন্ধ

“Until the lions have their own historians, the history of the hunt will always glorify the hunter”

“History is a nightmare from which I am trying to awake”

“The only completely certain generalization about History is that so long as there is a human race, it will go on.”

“Study the historian before you begin to study the facts”

 

আলোচনা/সমালোচনা

Prophets Facing Backward: পাঠ প্রতিক্রিয়া – অর্ণব রায় ও দীধিতি রায়

বলিঊডের কাশ্মীর চিত্রণঃ নিঃশব্দের রাজনীতি – শ্রেয়া দত্ত

 

গ্রাফিক্স

বাংলা তখন -কাহিনি ও ছবি – রে অ্যান্ড মার্টিন